রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সময়

শিরোনাম:

● আইসিসিবিতে জাপানি গাড়ির সমাহার নিয়ে তিন দিনের আয়োজন ● এইচএসসিতে মুন্সীগঞ্জে পাসের হার ৫০.৬২%, তিন প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল ● মাওয়ায় পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখালে সরকারও সম্মানিত হবে ● পাশের হারের ভিত্তিতে মুন্সীগঞ্জ জেলার ১০টি সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ● মুন্সীগঞ্জে ওমেন্স ক্লাবের নতুন কমিটি সভাপতি ঝুমুর ও সম্পাদক সুমি ● মেলা নিয়ে উত্তেজনা গজারিয়ায় সমঝোতার খবর অস্বীকার আলেমদের ● জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে হরগঙ্গা কলেজ ▫️জিপিএ-৫ অর্জন ২৬ জন শিক্ষার্থীর ● গজারিয়ার মাইশার ঝুলিতে ৮ স্বর্ণ, এবার জুনিয়র থেকে সিনিয়র গেমসেও বাজিমাত. ● এইচএসসিতে শতভাগ পাস, জেলায় শীর্ষে লৌহজংয়ের ইউনুছ খান মেমোরিয়াল ● এইচএসসিতে সিরাজদীখানে টানা দ্বিতীয়বার পাসের হারে শীর্ষে বিক্রমপুর আদর্শ কলেজ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

এইচএসসিতে মুন্সীগঞ্জে পাসের হার ৫০.৬২%, তিন প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল

আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ :

প্রকাশ : রবিবার, ১ নভেম্বর,২০২৬, ০৯:৩৪ এ এম
এইচএসসিতে মুন্সীগঞ্জে পাসের হার ৫০.৬২%, তিন প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মুন্সীগঞ্জ জেলায় পাসের হার ৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ। এ বছর জেলার ছয়টি উপজেলার ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৮ হাজার ৬১৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬১ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ হাজার ২৫৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। তবে জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান তিনটির ১৩ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

উপজেলাভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে জেলার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে লৌহজং উপজেলা। এ উপজেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার গজারিয়া উপজেলায়, ৩২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, গজারিয়া উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১১২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন একজন। এ উপজেলায় অকৃতকার্য হয়েছেন ২২৮ জন। পাসের হার ৩২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

লৌহজং উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯২৯ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৬০৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন আটজন। এ উপজেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, যা জেলার ছয় উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ হাজার ১৭১ জন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ৮৩৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯ জন। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। জেলায় সর্বোচ্চসংখ্যক জিপিএ-৫ পেয়েছেন এ উপজেলার শিক্ষার্থীরা।

সিরাজদিখান উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার ৪২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৪৬১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। এ উপজেলায় পাসের হার ৪৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।

শ্রীনগর উপজেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ২ হাজার ৪৬৫ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ১ হাজার ৯০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০ জন। পাসের হার ৪৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

অন্যদিকে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৬৬৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২৫৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন পাঁচজন। এ উপজেলায় পাসের হার ৩৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এদিকে জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ।

এর মধ্যে রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেননি। হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাঁদের কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠান তিনটির ১৩ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছেন।

সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারে লৌহজং উপজেলা জেলার শীর্ষে থাকলেও সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে গজারিয়া। অন্যদিকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর। জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও তিনটি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)