মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট এবং পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু। এ সময় নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঘাট এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পর্যটকদের চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গতকাল বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, নৌ-পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি এবং পদ্মা সেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। নদীপথে চলাচলকারী নৌযানের নিরাপত্তা, পর্যটকদের অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
এ সময় পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পর পর্যটকদের নদীতে ঘোরাফেরা বন্ধ রাখার নির্দেশনার কথাও জানানো হয়। নদীতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নির্ধারিত সময় ও নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা এবং শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছারসহ উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।
মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদীকেন্দ্রিক নৌ-যোগাযোগ ও পর্যটন কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এসব এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।