রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সময়

শিরোনাম:

● ঢাকার বাতাসে স্বস্তি নেই, দূষণের শীর্ষে আগারগাঁও ● দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান ● মিরকাদিম ও মাওয়া মৎস্য আড়তের চিত্র সরবরাহ বাড়লেও চড়া দামে ইলিশের কেনাবেচা ● কারাবন্দী সাবেক এমপি ফয়সাল বিপ্লবের মানবিক উদ্যোগ নিহত জাহেদ নেপারীর পরিবার পেলেন এক লাখ টাকা ● টঙ্গীবাড়ীতে মোয়াজ্জেম শিকদারের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন ২০০ জন ● গজারিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে তিন পদে জয়ী নজরুল, আফরান ও আমজাদ. ● টঙ্গীবাড়ীতে ব্যক্তি উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার, খুশি এলাকাবাসী ● টঙ্গীবাড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ● জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিরাজদীখানে আলোচনা সভা ● সিরাজদীখানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বদলে ছোট ভাইকে ৯ ঘণ্টা আটকের অভিযোগ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সিরাজদীখানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বদলে ছোট ভাইকে ৯ ঘণ্টা আটকের অভিযোগ

সিরাজদীখান প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ৮ নভেম্বর,২০২৬, ০৮:০৯ এ এম
সিরাজদীখানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বদলে ছোট ভাইকে ৯ ঘণ্টা আটকের অভিযোগ


মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে তাঁর ছোট ভাইকে ধরে থানায় নিয়ে ৯ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের নতুন ভাসানচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন—সিরাজদীখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নির্মল চন্দ্র দাস।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইব্রাহিম শিকদারকে গ্রেপ্তার করতে ওই রাতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় ইব্রাহিমকে না পেয়ে তাঁর ছোট ভাই আবু বক্কর শিকদারকে ধরে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁকে প্রায় ৯ ঘণ্টা হাজতে আটকে রাখা হয়। পরদিন দুপুরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করার পর সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও সিরাজদিখান থানা পুলিশ আদর নামের এক তরুণকে ধরে এনে স্থানীয় নেতাদের সমঝোতায় পাঁচ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়। এ ছাড়া গত ১৫ অক্টোবর থানা ভাঙচুর মামলায় আটক এক ব্যক্তিকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় পাওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়—এমন ঘটনা নিয়েও এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সংবিধানের ৩২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে ধরে আনা বা আটক রাখা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী উল্লেখ করে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির পরিবর্তে তাঁর ভাইকে কেন দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হলো এবং সাদা কাগজে মুচলেকার আইনগত ভিত্তি কী?


ভুক্তভোগী আবু বক্কর শিকদার বলেন, পুলিশকে অনেকবার আমার পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু তাঁরা কোনো কথা না শুনেই আমাকে ধরে থানায় নিয়ে যান এবং দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা আটকে রেখে পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই নির্মল চন্দ্র দাস বলেন, আমরা ওই বাড়িতে পলাতক আসামি ইব্রাহিমকে ধরতে গিয়ে তাঁকে (আবু বক্কর) আটক করি। তবে সে সময় তিনি নিজের সঠিক নাম বলেননি। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে তাঁকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ৯ ঘণ্টা নয়, তার অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)