শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সময়

শিরোনাম:

● লাইসেন্স-ফি ও অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা কমলে বাড়বে শ্রমিকের মজুরি l ● কম দামের অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে সীসার ঝুঁকি, সতর্ক করলেন গবেষকেরা ● অর্থনীতির মূলধারায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জুবাইদার ● মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন লৌহজংয়ের ইসরাফিল শেখ ● জমি বিরোধে বিষ প্রয়োগে কৃষকের ৩ লাখ টাকার ফুলকপির চারা নষ্টের অভিযোগ ● লৌহজংয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ● গজারিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধ, বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ. ● গজারিয়ায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ঘাটলা ছয় বছরেও কাজে আসেনি. ● গজারিয়ায় ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে বিএনপির প্রস্তুতি. ● রামপালে সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল হাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

জমি বিরোধে বিষ প্রয়োগে কৃষকের ৩ লাখ টাকার ফুলকপির চারা নষ্টের অভিযোগ

আপন সরদার, টঙ্গীবাড়ী

প্রকাশ : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর,২০২৬, ০৮:৫৩ এ এম
জমি বিরোধে বিষ প্রয়োগে কৃষকের ৩ লাখ টাকার ফুলকপির চারা নষ্টের অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে কাশেম মীর নামে এক কৃষকের প্রায় ৭ হাজার ফুলকপির চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর আপন তিন ভাই ও এক ভাতিজার বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক।


অভিযুক্তরা হলেন কাশেম মীরের ভাই আব্দুল হামিদ মীর, হাশেম মীর ও হানিফ মীর এবং ভাতিজা মামুন মীর।


ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কাশেম মীর অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ভাইয়েরা পৈতৃক সম্পত্তির পাশাপাশি তাঁর ক্রয়কৃত জমিও দখল করে রেখেছেন। এখন তাঁকে পরিবারসহ উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই তাঁর ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।


কাশেম মীরের ছোট ছেলে লালন মীর বলেন, ভোরে জমিতে ফুলকপি কাটতে গিয়ে চাচাতো ভাই মামুন মীর, চাচা আব্দুল হামিদ মীর ও হাশেম মীরকে দেখতে পান। এ সময় মামুন মীরের কাঁধে ওষুধ ছিটানোর একটি মেশিন ছিল। পরে সকাল ১০টার দিকে আবার জমিতে গিয়ে ফুলকপির পাতায় পোড়া দাগ দেখতে পান। তাঁর অভিযোগ, ভোরে জমিতে ওষুধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, জমি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে চাচাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। চাচারা তাঁদের ক্রয়কৃত জমি দখল করে চাষাবাদ করছেন। এতে বাধা দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ফসল নষ্ট করা হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।


কৃষকের বড় ছেলে মোহন মীর বলেন, ছোট ভাইয়ের কান্নাকাটি দেখে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। পরে জানতে পারেন, তাঁদের প্রায় সব ফুলকপির চারা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জমি ছেড়ে দিতে বলায় তাঁদের বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে এবং মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি তাঁদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা নিজেদের লাউগাছ নিজেরাই কেটে ফেলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।


এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)