আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে গবাদিপশুর পিপিআর ও অ্যানথ্রাক্স রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে বিনামূল্যে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ক্যাম্পেইনের প্রথম দুই দিনে চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৮০টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার মালখানগর, বয়রাগাদী, জৈনসার ও শেখেরনগর ইউনিয়নে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মালখানগর ইউনিয়নে ৩০০টি ছাগল, ৪০টি ভেড়া ও ৪০টি গরুসহ মোট ৩৮০টি পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। বয়রাগাদী ইউনিয়নে ২০০টি ছাগল, ৪০টি ভেড়া ও ৩০টি গরুসহ মোট ২৭০টি, জৈনসার ইউনিয়নে ২১০টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া ও ৩০টি গরুসহ মোট ২৯০টি এবং শেখেরনগর ইউনিয়নে ২৫০টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া ও ৪০টি গরুসহ মোট ৩৪০টি পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শবনম সুলতানা বলেন, ৩ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে পিপিআর ও অ্যানথ্রাক্স রোগের টিকা দেওয়া হবে। প্রতি ইউনিয়নে টানা তিন দিন করে এ ক্যাম্পেইন চলবে। কোনো এলাকায় বা খামারের পশু টিকা দেওয়া থেকে বাদ পড়লে সংশ্লিষ্টরা যোগাযোগ করলে তাদেরও টিকার ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পেইনের আওতায় গরু ও মহিষকে অ্যানথ্রাক্স এবং ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে। পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপী এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। গবাদিপশুকে রোগমুক্ত রাখা, খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে খামারি ও পশুপালকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।